তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ভারতের উপহার ২০ লাখ ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছেছে। সরকারের এ সাফল্যে এখন বিএনপির মুখে উদ্‌ভ্রান্তের প্রলাপ। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।

'সরকার ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি করছে'- বিএনপি নেতাদের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে করোনার টিকা চলে এসেছে। এটি উপহার হিসেবে ভারত আমাদের দিয়েছে। এ জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। বিএনপির এমন বক্তব্যে তাদের যে মানসিকতা তুলে ধরা হয়েছে তা হলো, অপছন্দের প্রতিবেশীর কোনো ভালোই দেখতে না পারা এবং সব সময় অমঙ্গল কামনা করা।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি আশা করেছিল, দেশ করোনা মহামারি সামাল দিতে পারবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সেটি সামাল দিয়েছেন এবং বিশ্বব্যাপী তার এ নেতৃত্ব প্রশংসিত হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন সবকিছুতেই লুটপাট হয়েছে। হাওয়া ভবন গঠন করে লুটপাট করেছিল বলেই

বিএনপির সময় দেশ দুর্নীতিতে পরপর চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সম্পাদকের

শিক্ষাগত যোগ্যতা নূ্যনতম স্নাতক ও ১৫ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতার সনদ যাচাই করে পত্রিকার ডিক্লারেশন দেওয়া এবং পত্রিকার সম্পাদক বা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদককে পূর্ণকালীন সাংবাদিক থাকা ও পত্রিকার প্রকৃত সার্কুলেশন যাচাই করে মিডিয়া তালিকাভুক্ত করার দাবি তুলে ধরে সম্পাদক ফোরাম।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত সনদ ছাড়াও অনেক স্বশিক্ষিত প্রতিভাবান সাংবাদিক দেশে রয়েছেন, যাদের সম্পাদক হবার যোগ্যতাও রয়েছে, যা বিবেচনাযোগ্য। অন্যান্য দাবি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার, সম্পাদক ফোরামের উপদেষ্টা ইকবাল সোহবান চৌধুরী, আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রতন, ফারুক আহমেদ তালুকদার, রিমন মাহফুজ, দুলাল আহমদ চৌধুরী, মফিজুর রহমান খান বাবু, কাজী নাছির উদ্দিন বাবুল, মীর মনিরুজ্জামান, এসএম মাহবুবুর রহমান, নাজমুল আলম তৌফিক, মাহমুদ আনোয়ার হোসেন, আশ্রাফ আলী, নাসিমা খান মন্টি, আহসান উল্লাহ, কেএম বেলায়েত হোসেন, ড. এনায়েত কাসিম, শরিফ শাহাবুদ্দিন ও আজিজুল ইসলাম ভূঁঁইয়া।

মন্তব্য করুন