শিক্ষক অপসারণ ও শিক্ষার্থী বহিস্কার নিয়ে নিন্দা, ক্ষোভ

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২১

খুলনা ব্যুরো

শিক্ষক অপসারণ ও শিক্ষার্থী বহিস্কার নিয়ে নিন্দা, ক্ষোভ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বহিস্কারসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার নগরীর শিববাড়ি মোড়ে মানববন্ধন করেন খুলনার সচেতন নাগরিক ও সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা সমকাল

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে অপসারণের সিদ্ধান্ত এবং দুই শিক্ষার্থীকে বহিস্কারের ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। উপাচার্যের নিয়োগ-বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, অনিয়ম ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গতকাল সকাল ১১টায় নগরীর শিববাড়ি মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনার সচেতন নাগরিক ও সাধারণ ছাত্রছাত্রীর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে অংশ নেন বিএমএ খুলনার সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম, ওয়ার্কার্স পার্টির মহানগর সভাপতি মফিদুল ইসলাম, ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা দেলোয়ার উদ্দিন দিলু প্রমুখ।

এদিকে শিক্ষকদের অপসারণ ও শিক্ষার্থী বহিস্কারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন বাম গণতান্ত্রিক জোট খুলনা জেলার নেতারা। গতকাল এক বিবৃতিতে তারা বলেন, এ ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের স্বৈরাচারী আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ।

বিবৃতিদাতারা হলেন- বাম গণতান্ত্রিক জোট ও গণসংহতি আন্দোলন

খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, সিপিবির জেলা সভাপতি ডা. মনোজ দাশ, সিপিবির কেন্দ্রীয় সদস্য এসএ রশীদ, বাসদ জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নান্টু, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) জেলা সভাপতি মোজাম্মেল হক খান, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের জেলা সম্পাদক ডা. সমরেশ রায় প্রমুখ।

এদিকে, প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে তারা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে অপসারণ এবং দুই শিক্ষার্থীকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান।

বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ওই দুই শিক্ষার্থী ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা থেকে আমরণ অনশনে বসেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্য শিক্ষার্থীরা বাইরে থেকে চিকিৎসক এনে তাদের চিকিৎসা দেন। তাদের মধ্যে একজনের শরীরে স্যালাইন পুশ করে রাখা হয়েছে।

শিক্ষার্থী ইমামুল ইসলাম ও নোমান সমকালকে বলেন, যৌক্তিক দাবি নিয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থী তখন আন্দোলন করেছিল। কিন্তু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে শুধু তাদের বিরুদ্ধে। তারা শিক্ষকদের সঙ্গে কোনো দুর্ব্যবহার করেননি।