আসন্ন কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী তৃতীয় লিঙ্গের দিথী খাতুনের নাম এখন সবার মুখে। তাকে ঘিরে কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে এক ভিন্ন মাত্রার উৎসাহ-উদ্দীপনা ও কৌতুহল দেখা দিয়েছে। ৫ বছর আগেও তিনি কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন।

এবারও তিনি গতবারের মতো পৌরসভার ৭, ৮, ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। তার নির্বাচনী প্রতীক 'আংটি'।

২০১৫ সালের নির্বাচনে দিথী খাতুন চুড়ি প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হন। সে নির্বাচনে তিনি ১১ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। এই সংরক্ষিত আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য প্রার্থীরা হলেন- আনারস প্রতীকে শাহানাজ খাতুন, চশমা প্রতীকে রূপা খাতুন, জবা ফুল প্রতীকে হাসিনা আক্তার ও টেলিফোন প্রতীকে জাহানারা খাতুন।

দিথী খাতুনের আশা, তিনি এবার নির্বাচনী বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন। তার প্রত্যাশা জনপ্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে সমাজের মূলধারায় চলে আসা। মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে থেকে সেবা করা। তারা নাগরিকত্বসহ ভোটাধিকার লাভ করেছেন। এমনকি দিথী খাতুনের মতো অনেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। সমাজের মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে তারাও সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিশীল। তারাও সমাজের অন্যদের মতো ভূমিকা রাখতে চান।

দিথী বলেন, মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মানুষ হিসেবে সমাজের মূলধারায় বেঁচে থাকতে চাই। চাই সমাজের উন্নয়নে সবার সঙ্গে এগিয়ে যেতে। আমার এই পথচলার একটি পাথেয় এ নির্বাচন। ভোটারদের সমর্থন আমাকে এগিয়ে নিতে পারে অনেক দূর। এনে দিতে পারে সম্ভাবনাময় দিন, আলোকিত সমাজ, যেখানে থাকবে সম্প্র্রীতি ও অসাম্প্র্রদায়িকতা।

শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা জানতে চাইলে দিথী বলেন, তিনি পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। তার পৈতৃক নিবাস যশোর সিটি কলেজ এলাকায়। বাবার নাম আব্দুল হামিদ মিয়া।

আগামী ৩০ জানুয়ারি কলারোয়া পৌরসভায় ভোট গ্রহণ হবে।

মন্তব্য করুন