৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ভালুকা পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিজের পক্ষের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. এ কে এম মেজবাহ্‌ উদ্দিন কাইয়ুম। নির্বাচনে তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন ভালুকা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির নেতা হাতেম খান। নির্বাচনে দুই বড় রাজনৈতিক দলের দু'জন ব্যতীত আর কোনো মেয়র প্রার্থী না থাকায় তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

মেজবাহ্‌ উদ্দিন কাইয়ুম পরপর দু'বার মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালনকালে পৌরবাসীর নাগরিক সুযোগ-সুবিধায় মোটামুটি সন্তোষজনক কাজ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ভোটযুদ্ধে তার বেশ শক্ত অবস্থান। এ ছাড়া চিকিৎসক হিসেবেও এলাকায় বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি।

অন্যদিকে হাতেম খান দীর্ঘ ১০ বছরের অধিক সময় ধরে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্যে পৌরবাসীর দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। দলীয়ভাবেও রয়েছে তার শক্ত অবস্থান। এ ছাড়া বিভিন্ন দুর্যোগ ও উৎসবে অসহায় এবং দুস্থদের সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকেন তিনি।

মেজবাহ্‌ উদ্দিন কাইয়ুম জানান, ভোটারদের সমর্থনে আবার নির্বাচিত হতে পারলে তিনি পৌরবাসীর আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করবেন। হাতেম খান বলেন, মেয়র নির্বাচিত হলে ভালুকা পৌরসভাকে দেশের অন্যরকম একটা পৌরসভা করা হবে। তিনি পৌরবাসীর কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

ভালুকা পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচনে মেয়র পদে দু'জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে আটজন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে মোট ৩২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সব কেন্দ্রেই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য করুন