চট্টগ্রাম বন্দরের আপত্তি প্রত্যাহার

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে জটিলতা কাটছে

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম নগরীর লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত নির্মাণাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে জটিলতা নিরসন হতে যাচ্ছে। এখন শহরে বারিক বিল্ডিং থেকে কাস্টম মোড় পর্যন্ত মূল সড়কের মাঝখানে এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করতে পারবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। দীর্ঘদিন ধরে এতে আপত্তি জানিয়ে আসছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ। গতকাল সোমবার সিডিএর সঙ্গে এক সভায় ওই আপত্তি প্রত্যাহার করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দরের ওই সভায় বারিক বিল্ডিং থেকে কাস্টম মোড় পর্যন্ত অংশে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ নিয়ে আপত্তি প্রত্যাহার করে কর্তৃপক্ষ। তবে কাস্টস মোড় থেকে সল্টগোলা পর্যন্ত অংশ মূল সড়কের বাইরে নির্মাণের বিষয়ে তাদের আপত্তি বহাল রয়েছে। এ সভায় সিডিএর চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান, নৌবাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মোজাম্মেল হক, সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান, বন্দরের পর্ষদ সদস্য ও সিডিএর সংশ্নিষ্ট প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, 'এই সিদ্ধান্তের কারণে জনগণের অর্থ সাশ্রয় হবে। এখন নতুন করে জমি অধিগ্রহণ করতে হবে না। ভবনের ক্ষতিপূরণও দিতে হবে না। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়ও কম লাগবে। এ আপত্তি প্রত্যাহার করায় এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ নিয়ে সব ধরনের জটিলতা দূর হয়েছে। যে অংশে আপত্তি প্রত্যাহার করেনি, সেখানে বন্দরের পরিত্যক্ত নিজস্ব জায়গা রয়েছে। বন্দরকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে এ জায়গা সহজে অধিগ্রহণ করা যাবে।'

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ নিয়ে সব ধরনের জটিলতার নিরসন হয়েছে। সল্টগোলা থেকে কাস্টম মোড় পর্যন্ত অংশে সড়কের বাইরে খালি জায়গা রয়েছে। এ কারণে আর সংকট নেই। তাই সেখানেই নির্মাণ কাজ চলবে।

২০১৭ সালের ১১ জুলাই একনেক সভায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকার এই প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ না হওয়ায় পরে মেয়াদ ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে এ সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এখন পর্যন্ত ৪০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।