কালবৈশাখীতে ও গরম বাতাসে কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলার বোরো ধান সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। গতকাল বুধবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল নিকলী উপজেলার হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত ধানক্ষেত পরিদর্শন করে গেছে।

পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তারা কৃষকদের উদ্দেশে বলেন, গরম বাতাসে যেসব বোরো জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব জমিতে পানি দিতে হবে। এ ছাড়া ১০ লিটার পানিতে ১০০ গ্রাম পটাশ সার মিশিয়ে জমিতে স্প্রে করলে যেসব ফসল ভালো আছে, সেগুলো নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলাম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ ও ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক (ধান) বশির আহম্মেদ সরকার।

ময়মনসিংহে বেড়েছে আক্রান্ত জমির পরিমাণ :ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, ঝোড়ো হাওয়ায় বোরো ধানের শিষ সাদা হয়ে যাওয়া জমির পরিমাণ বেড়েছে। কৃষি বিভাগ মঙ্গলবার জেলার ১৩ উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ জানিয়েছিল দুই হাজার ৬৩০ হেক্টর। কিন্তু গতকাল তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার হাজার ২০১ হেক্টরে। একেবারে নতুন এক দুর্যোগে কৃষকের ফসলের মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মন্ত্রণালয় থেকে কোনো প্রতিনিধি দল ময়মনসিংহে যায়নি। তবে ময়মনসিংহের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মতিউজ্জামান ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত জমি পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি জমিতে পানি ধরে রাখার পরামর্শ দেন। মো. মতিউজ্জামান বলেন, আক্রান্ত জমির পরিমাণ বেড়ে চার হাজার ২০১ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। তবে বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

মন্তব্য করুন