কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রণোদনা, গবেষণায় অর্থ বরাদ্দ, গবেষণাগার তৈরি, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রদান ও বাজেট বাড়াচ্ছে। যাতে ভবিষ্যতে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ব্রি ধান-৮১ জাতের 'ধান কর্তন ও কৃষক সমাবেশ' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বিভিন্ন ফসলের নতুন জাত ও চাষাবাদের প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। ফলে ক্রমশ জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হচ্ছে। ব্রি-৮১ জাতটি ব্রি-২৮ জাতের মতোই জনপ্রিয়। কৃষকরা উচ্চ ফলনশীল এই জাতটি চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এতে ধানের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে।

জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের এমপি ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ফেরদৌসী ইসলাম জেসি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ, বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আসাদুল্লাহ, ব্রির মহাপরিচালক ড. শাজাহান কবীর, বারির মহাপরিচালক ড. নাজিরুল ইসলাম, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল বাতেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার এএইচএম আবদুর রকিব প্রমুখ।

পরে মন্ত্রী শহরের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব ও গবেষণা কেন্দ্রে বারি আম-৪ এবং বারি আম-১১-এর উৎপাদনশীলতা প্রদর্শন শীর্ষক কৃষক সমাবেশে যোগ দেন। সেখানে তিনি বলেন, বিদেশ থেকে ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ মেশিন 'ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট' আনার প্রক্রিয়া চলছে। যার মাধ্যমে পোকামাকড় দমনসহ এ সরকারের আমলেই আম বিদেশে রপ্তানি শুরু হবে। এ সময় কৃষকদের মধ্যে বারি আম-৪ ও বারি আম-১১-এর চারা বিতরণ উদ্বোধন এবং এ জাতের আমগাছের চারা রোপণ করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আবদুল ওদুদ বিশ্বাস, আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব ও গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হরিদাশ চন্দ্র মোহন্ত, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. শামসুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।





মন্তব্য করুন