নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সব ধরনের রাজনৈতিক মিছিল ও সভা-সমাবেশের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার রাতে উপজেলায় আওয়ামী লীগের দু'পক্ষের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিলের পর সংঘর্ষের আশঙ্কায় পুরো উপজেলায় এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন ইউএনও জিয়াউল হক মীর।

বুধবার রাত ৮টার দিকে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভায় ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীরা প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন। অন্যদিকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

কাদের মির্জার ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ছেলের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, আমার ছেলে তাশিক মির্জাকে তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল হকের উপস্থিতিতে কোম্পানীগঞ্জ থানার সামনে সন্ত্রাসীরা পাইপগান দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। আমার ছেলেকে যারা রক্তাক্ত করেছে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। তাদের গ্রেপ্তার না করলে যে কোনো পরিস্থিতির জন্য আমি দায়ী থাকব না।

এদিকে কাদের মির্জার ফেসবুক স্ট্যাস্টাস দেওয়ার দুই ঘণ্টা পর পাল্টা স্ট্যাটাস দেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল। এতে তিনি বলেন, আবদুল কাদের মির্জার এ পোস্ট থেকে আমি নিশ্চিত হয়েছি, সে এখন পালিয়ে যাওয়ার জন্য পথ খুঁজছে। এ ছাড়া তার অবশ্য আর কোনো উপায়ও নেই।

মন্তব্য করুন