রাজধানীর কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে সুভাষ চন্দ্র সূত্রধর (৩২) নামে এক দুবাই প্রবাসীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে খিলক্ষেত থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। লাশের পাশে একটি গামছা পাওয়া গেছে। পুলিশের ধারণা, গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ সেখানে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। পকেটে থাকা পাসপোর্ট থেকে তার নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়। সুভাষের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার বড় নারায়ণপুরে। অন্যদিকে রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে এক রিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

খিলক্ষেত থানার এসআই শাহিনুর রহমান জানান, খিলক্ষেত বাজার-সংলগ্ন পূর্বাচলগামী ফ্লাইওভার থেকে ওই যুবকের লাশ পাওয়া যায়। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরে তার স্বজনদের খবর দেওয়া হয়।

নিহতের স্বজনরা জানান, সুভাষ চন্দ্র দুবাই থাকতেন। গত বছরের নভেম্বরে দেশে এসে বিয়ে করেন। আবারও দুবাই যেতে করোনা টেস্টের জন্য গতকাল বগুড়া থেকে ঢাকায় আসেন। তার স্ত্রীর বোনের স্বামী কৃষ্ণ বাবু জানান, বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা থেকে বুধবার রাত ৮টায় সুভাষ মাইক্রোবাসে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। দুবাই যাওয়ার টিকিটের টাকাসহ ৬০-৭০ হাজার টাকা ছিল তার কাছে। ভোরে সুভাষের ফোন বন্ধ পেয়ে কৃষ্ণ বাবু সুভাষকে খুঁজতে বের হন। কুড়িল ফ্লাইওভারে একটি লাশ পাওয়া গেছে শুনে সেখানে গিয়ে সুভাষের লাশ শনাক্ত করেন। লাশের সঙ্গে কোনো টাকা পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, সুভাষের সঙ্গে কারও শত্রুতা নেই। হয়তো ছিনতাইকারীরা তাকে হত্যা করেছে।

খিলক্ষেত থানার ওসি মুন্সি সাব্বির আহমেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি হত্যাকা। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অন্যদিকে রাজধানীর মতিঝিল এলাকার বঙ্গভবনের পশ্চিম পাশের সড়কে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী এক রিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার এক কর্মকর্তা জানান, রিকশাচালক অচেতন হয়ে পড়েছিলেন। খবর পেয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পরে লাশ মর্গে পাঠানো হয়। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য করুন