বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন এক নারী। গত বৃহস্পতিবার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন ওই নারী।

অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সবই ষড়যন্ত্র।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারীর স্বামীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক একটি মামলা হয়। সেই ষড়যন্ত্রের মূল নায়ক ছিলেন মামলার ১ নম্বর আসামি রূপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাচিং প্রু মার্মা ও ২ নম্বর আসামি ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মান্নান। গত বছরের ৩ অক্টোবর সেই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় তার স্বামীকে। সমাধানের জন্য একই বছরের ১৫ অক্টোবর চেয়ারম্যানের বাসায় যান অভিযোগকারী। মামলার কথা বলে তাকে দ্বিতীয়তলার একটি শয়নকক্ষে নিয়ে যান চেয়ারম্যান। সেখানে তাকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে রাজি না হলে তিনি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। ঘটনার আগে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যান তাকে কয়েকবার কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন। এতে তিনি রাজি হননি। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা করতে সময় লেগেছে বলে এজাহারে বলা হয়েছে।

জেলা জজকোর্টের জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পেশকার মাঈনুল বলেন, তদন্ত করে ঘটনার সত্যতার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য জেলা সিআইডির ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জেলা সিআইডির ওসি আনিসুর রহমান জানান, আদালত থেকে এ বিষয়ে একটি ফোনকল পেয়েছেন। এখনও কোনো কাগজপত্র হাতে আসেনি।

এ বিষয়ে রূপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাচিং প্রু মার্মা বলেন, ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। অভিযুক্ত নারীর স্বামীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় গ্রাম পুলিশের চাকরি চলে যায়। এ সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষ ওই নারীকে আমার বিরুদ্ধে কাজে লাগিয়েছে। যাতে সামনে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারি।

মন্তব্য করুন