চট্টগ্রামে নাশকতার মামলায় দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে নগরের টেরিবাজার এলাকা থেকে বাঁশখালী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের আমির জহিরুল ইসলাম এবং ষোলশহর থেকে নগরের ৬ নম্বর পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির নূর হোসেন মাস্টারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে জহিরুলকে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও নূর হোসেনকে চান্দগাঁও থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। জহিরুলকে জেলার পটিয়া থানায় নাশকতার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল শুক্রবার আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের জেরে বাঁশখালীতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। গতকাল দুপুরে উপজেলার শীলকূপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পেলা হাজীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগকর্মীসহ অন্তত ১৩ জন আহত হন।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, নূর হোসেন মাস্টারের বিরুদ্ধে চান্দগাঁও থানায় বিস্টেম্ফারকের মামলা রয়েছে। পাশাপাশি গত ১৪ এপ্রিল চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বি-ব্লক জামে মসজিদে করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি বিধিনিষেধ না মেনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা তদন্তে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। দুই মামলার পরোয়ানামূলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কেশব চক্রবর্ত্তী বলেন, নাশকতার মামলায় জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, পটিয়ায় গত ২৬ ও ২৮ মার্চ হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনার ইন্ধনদাতা ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাঁশখালীতে নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলায় আসামি তিনি।

বাঁশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ সফিউল কবীর বলেন, হামলার ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন