জাতীয় হিন্দু মহাজোট নেতারা বলেছেন, করোনা দুর্যোগের মধ্যেও দেশের হিন্দু সম্প্রদায় স্বস্তিতে নেই। ভোলায় দুই ভাই তপন সরকার ও দুলাল সরকারকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা, ঝিনাইদহের শৈলকূপায় রেখা রানীকে পিটিয়ে হত্যা এবং বিভিন্ন স্থানে হিন্দুদের জমি দখল, মারধর, প্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মান্তর ও ধর্ষণের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জোটের নেতারা।

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন। তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতিত হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা সরকার ও প্রশাসনকেই দিতে হবে।

সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট দীনবন্ধু রায়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, কেন্দ্রীয় নেতা প্রদীপ কুমার পাল, বিজয়কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, অ্যাডভোকেট লাকি বাছাড়, নরেশ হালদার, সাগরিকা মণ্ডল, তাপস বৈরাগী, তুলন চন্দ্র পাল, চয়ন বাড়ৈ, অখিল বিশ্বাস, শ্যামল কুমার ঘোষ, প্রদীপ শঙ্কর, মৃণাল মধু, প্রশান্ত হালদার, সুজন গাইন, সাজেন কৃষ্ণ বল, তপু কুণ্ডু, রনি রাজবংশী, অনিক পোদ্দার, সুমন কর্মকার, তাপস হালদার, দিলীপ মণ্ডল, সাগর চন্দ্র বর্মণ, বিধান সরকার অর্ঘ্য, নয়ন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।

নেতারা বলেন, সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর হিন্দুদের শত শত বাড়িঘরে হামলা, মন্দির ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যা এবং খুনের ঘটনা ঘটেছে। এক সময় এই হিন্দুরা একটু শান্তিতে বসবাস করার জন্য এ দেশ ছেড়ে ভারতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তারা স্বস্তিতে নেই।

এসব ন্যক্কারজনক ঘটনায় হস্তক্ষেপ ও গুণ্ডাদের শাস্তি এবং পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ দাবি করেন নেতারা।

মন্তব্য করুন