আবারও আলোচনায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন। করোনা টেস্টের এক রিপোর্টে তার জন্ম তারিখ ১৯৪৬ সালের ৮ মে দেখানোর পর থেকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে।

এর আগে খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন থেকে ১৫ আগস্টকে নিজের জন্মদিন হিসেবে পালন করে আসছিলেন, সে দিনটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস। এ নিয়ে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন মহল থেকে চরম সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে বিএনপি ও এর নেতৃত্বকে। ১৫ আগস্ট ছাড়াও বিভিন্ন কাগজপত্রে খালেদা জিয়ার আরও চারটি জন্মদিনের কথাও জানা যায়। তার একাধিক জন্ম তারিখ ও জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালনের বিষয়টি আদালতেও গড়িয়েছে।

সর্বশেষ গত শনিবার কারাবন্দি খালেদা জিয়ার করোনা টেস্টের এক রিপোর্টে দেখা যায় তার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ৮ মে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার তৃতীয় দফায় ওই করোনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে। রিপোর্টটি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাসহ অনেকেই তার করোনা টেস্টের এ রিপোর্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় গতকাল রোববার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে খালেদা জিয়ার করোনা টেস্টের রিপোর্টটি তুলে দিয়েছেন। রিপোর্টের নিচে স্ট্যাটাস আকারে লাল-সাদা হরফে একটি লেখাও তুলে ধরেছেন তিনি। যেখানে লেখা রয়েছে, 'মৃত্যুভয়ে খালেদা জিয়া তার আসল জন্মদিনের কথা স্বীকার করলো/খালেদা জিয়ার জন্মদিন ০৮ মে ১৯৪৬।'

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম তার ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিএনপিকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিখেছেন, 'আমি আওয়ামী লীগ করি। বিষয়টা আমার কাছে যে কোনো সময়, যে কোনো পরিস্থিতিতেই প্রাসঙ্গিক। এখন আপনি (খালেদা জিয়া) বলছেন, ৮ মে আপনি জন্মেছেন। তাহলে আমাদের রক্তক্ষরণ করিয়ে ১৫ আগস্ট যে জন্মদিন নিজে পালন করে এসেছেন, আপনার দলের নেতাকর্মীরা যে পালন করেছে, আমাদের শোককে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, তার জন্য নূ্যনতম

ক্ষমা, মানুষ হিসেবে আপনার

এবং আপনার দলের নেতাদের চাওয়া উচিত।'

মন্তব্য করুন