টিকার জন্য বাংলাদেশের আবেদনের জবাব দু-একদিনের মধ্যেই পাওয়া যাবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার এ জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানির তৈরি টিকা উৎপাদনের সম্ভাবনাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পড়ে থাকা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ।

গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলারের সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে জানিয়েছেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকাশিত ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের চিত্র সঠিকভাবে প্রকাশিত হয়নি। বিশেষ করে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকারের সর্বোত্তম প্রচেষ্টার বিষয়টি উঠে আসেনি।

সাক্ষাতে তারা আন্তর্জাতিক ও দ্বিপক্ষীয় ইস্যু এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বিষয়ে বার্ষিক 'জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান' কভিড-১৯ সহযোগিতা এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে আলোচনা করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের বিষয় উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূতকে বলেন, বাংলাদেশ মনে করে বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিলের জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। একই সঙ্গে তিনি সংঘাত বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগী ভূমিকা নেওয়া উচিত বলেও মত দেন এবং 'দুই রাষ্ট্রের ভিত্তিতে' ফিলিস্তিন সংকট নিরসনের ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সময় মতো ভিসা দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

মন্তব্য করুন