সিলেটের জকিগঞ্জের একটি অনুসন্ধান কূপে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। নতুন এই কূপের চারটি স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে ধারণা করছে রাষ্ট্রীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কোম্পানি বাপেক্স। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টায় আনন্দপুর গ্রামে ডিএসটি (ড্রিল স্ট্রিম টেস্ট) করতে গিয়ে 'সৌভাগ্য শিখা' জ্বালাতে সফল হয় কোম্পানিটি। ডিএসটি থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে গ্যাসের মজুদ সম্পর্কে জানা যাবে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কূপটির অভ্যন্তরে চাপ রয়েছে ছয় হাজার পিএসআই (প্রতি বর্গ ইঞ্চি) আর ফ্লোটিং চাপ রয়েছে ১৩ হাজার পিএসআইয়েরও বেশি। এই কূপ থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্র এবং ৪৬ কিলোমিটার দূরে গোলাপগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত।

বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী জানান, এটি নতুন গ্যাসক্ষেত্র হবে কিনা, তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পর সেটি বলা যাবে। তবে আশা করা যাচ্ছে, ভালো ফল পাওয়া যাবে। নতুন গ্যাসক্ষেত্র কিনা- তা নিশ্চিত হলে এটি হবে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র।

দেশে এ পর্যন্ত আবিস্কৃত ২৭টি গ্যাসক্ষেত্রে প্রমাণিত মজুদের পরিমাণ ২১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। সম্ভাব্য মজুদের পরিমাণ আরও ছয় টিসিএফ। যার প্রায় সাড়ে ১৮ টিসিএফ উত্তোলন করা হয়েছে। সে হিসাবে প্রমাণিত মজুদ অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র তিনি টিসিএফ, সম্ভাব্য মজুদ রয়েছে আরও সাত টিএসএফ-এর মতো।

বিষয় : গ্যাসক্ষেত্র

মন্তব্য করুন