কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, করোনায় খাদ্যসংকট মোকাবিলা এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে 'পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপন' প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৪৩৮ কোটি টাকার এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ লাখ পুষ্টিবাগান করা হবে। এতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি পারিবারিক শাকসবজি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকায় বিএআরসি মিলনায়তনে 'অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপন' প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্র্রসারণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠিন তদারকির নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, স্ব্বাধীনতার পর আমাদের মোট বাজেট ছিল মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকা, সেখানে আজ শুধু বাড়ির আঙিনায় পুষ্টিবাগান স্থাপনে ৪৩৮ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের প্রত্যেকটি টাকার হিসাব আমাদের দিতে হবে। প্রকল্পের কতটুকু অর্জন হলো তার গাণিতিক ও বাস্তবসম্মত হিসাবও মূল্যায়ন করতে হবে। নির্বাচিত কৃষকরা সবজি উৎপাদন করছে কিনা, অন্যরা উৎসাহিত হচ্ছে কিনা ও উৎপাদিত সবজি খেয়ে তাদের পুষ্টিস্তরের উন্নতি হচ্ছে কিনা- তার যথাযথ হিসাব রাখতে হবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলাম। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি) রুহুল আমিন তালুকদার, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) হাসানুজ্জামান কল্লোল, বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার বক্তব্য দেন।

বিষয় : কৃষিমন্ত্রী

মন্তব্য করুন