নগরীর বাংলাবাজার কাঁচাবাজারের সামনে গতকাল সোমবার দুপুরে হোগলা পাতার চাটাই নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায় গোপাল সাহা নামে এক বিক্রেতাকে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে এসব চাটাই বা হোগলা সংগ্রহ করবেন ক্রেতারা। পশু জবাই শেষে মাংস কাটা ও বণ্টনে হোগলার প্রচলন দীর্ঘদিনের।

গোপাল সাহা জানান, সদর উপজেলার টিয়াখালী গ্রাম থেকে এসব হোগলা এনেছেন তিনি। কোরবানির সময় চাহিদা বাড়ায় সেখানকার বাসিন্দারা প্রতি বছর প্রচুর হোগলা তৈরি করেন। চার হাত প্রস্থ ও পাঁচ হাত দৈর্ঘ্যের একেকটি হোগলার দাম নিল্ফেম্ন আড়াইশ টাকা।

নগরীর পুলিশ লাইন্স সড়কে ভ্যানে করে গাছের গুঁড়ি বিক্রি করতে দেখা গেল সেলিম মাহমুদকে। তিনি বলেন, আমি মূলত ভ্যানে মৌসুমি ফল বিক্রি করি। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে এই ক'দিন নগরীর চাঁদমারি এলাকার করাতকল থেকে গুঁড়ি এনে বিক্রি করছি। তিনি বলেন, কোরবানির মাংস কাটতে তেঁতুল গাছের গুঁড়ি উপযোগী। এ গাছের গুঁড়িতে গুঁড়া (পাউডার) ওঠে না এবং বেশ শক্ত। একেকটি গুঁড়ি দেড়শ থেকে দুইশ টাকায় বিক্রি করছি। ভোরে ৩০টা গুঁড়ি এনে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৩টি বিক্রি করেছি।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক রিফাত ফেরদৌস বলেন, কোরবানি জাতীয় ও স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি বাড়িয়ে দেয়।

মন্তব্য করুন