ঢাকা কাস্টম হাউসের কুরিয়ার ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ পন্থায় পণ্য খালাসে সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ৬৪টি মামলা হয়েছে। পরে এই চক্রের বিরুদ্ধে তদন্তে নামেন কর্মকর্তারা। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। এর ফলে দিন দিন বাড়ছে ঢাকা কাস্টম হাউসের রাজস্ব আয়।

অবৈধভাবে পণ্য খালাস করায় প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা রাজস্ব (শুল্ক্ক) আয় থেকে বঞ্চিত হয় সরকার। এর সঙ্গে এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা কুরিয়ার ইউনিটে বিভিন্ন নামে ৪০টি কুরিয়ার খাঁচা রয়েছে। এসবের মাধ্যমে বিদেশ থেকে আসা কোটি কোটি টাকার পণ্য খালাস করা হয়। সম্প্রতি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সংঘবদ্ধ ওই চক্রের বিরুদ্ধে ঢাকা কাস্টম হাউসে প্রায় ৬৪টি মামলা হয়। এসব মামলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক লাখ মালিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে আসামি করা হয়েছে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছর ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঢাকা

কাস্টম হাউসের কুরিয়ার ইউনিটে এ ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

কুরিয়ার ইউনিটের সহকারী কাস্টমস কর্মকর্তা (এসি) সোলাইমান হোসেন সমকালকে বলেন, ১০ ফেব্রুয়ারির আগে গড়ে দৈনিক রাজস্ব আদায়ের

পরিমাণ ছিল ৪০ লাখ। বর্তমানে তা বেড়ে এক কোটি ৪০ লাখে উন্নীত হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে কুরিয়ার ইউনিটে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অবৈধ পণ্য খালাসে জড়িত চক্রটির বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে দুই কোটির বেশি টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন