সুন্দরবনে বাঘের বসবাসের অনুকূল পরিবেশ নেই। বাঘের বসবাস উপযোগী নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা দরকার। এ জন্য সুন্দরবনে মানুষের উপদ্রব কমাতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ব বাঘ দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এ দিন বিকেলে 'বাঘ বাঁচায় সুন্দরবন, সুন্দরবন বাঁচায় লক্ষ জীবন' স্লোগানে বন অধিদপ্তর আয়োজিত ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, সুন্দরবনের রক্ষক বাঘ সংরক্ষণে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। কভিডকালে সুন্দরবনে মানুষের উপদ্রব কম হওয়ায় বাঘের পরিমাণ বেড়েছে। কিছু মানুষের জন্য বিশ্ব ঐতিহ্যের সুন্দরবন এবং বাঘের কোনো ক্ষতি হতে দেওয়া হবে না। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সংরক্ষিত এলাকার পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।

প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল, অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আবদুলল্গাহ হারুন এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিদ মজুমদার বাবু প্রমুখ।

সরকার কখনও বাঘ রক্ষায় গুরুত্ব দেয়নি : গতকাল বিকেলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) আয়োজনে 'বাঘ দিবসে বাঘের গল্প' শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাপার সভাপতি সুলতানা কামাল বলেন, বাঘ আমাদের সাহস, শক্তি ও সংস্কৃতির পরিচয়। অথচ সরকার কখনও বাঘ রক্ষায় গুরুত্ব দেয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে বরাবর অবহেলার শিকার হয়ে আসছে বাঘ।

বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিলের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখেন বাপার বন, জীববৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জ্বালানি বিষয়ক কমিটির সহ-আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল হাসান খান প্রমুখ।

মন্তব্য করুন