ময়মনসিংহে স্ত্রীর সহায়তায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তা ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টানা আট মাস ধর্ষণ করা হয় মেয়েটিকে। বিষয়টি র‌্যাব-১৪ কার্যালয়ে জানানো হলে অভিযুক্ত হোসেন আলীকে রোববার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলে মামলা শেষে গতকাল সোমবার আদালতে হাজির করা হয়। গ্রেপ্তার হোসেন আলী নগরীর কৃষ্টপুর এলাকার বাসিন্দা। সে জাতীয় পার্টির সহযোগী সংগঠন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির ময়মনসিংহ জেলা সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে।

থানায় দেওয়া অভিযোগ থেকে জানা গেছে, হোসেন আলীর বাসার পাশেই ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকত ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরী। একই এলাকায় বাসা হওয়ায় হোসেনের পরিবারের সঙ্গে মেয়েটির পরিবারের সখ্য গড়ে ওঠে। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি কিশোরীকে হোসেনের বাসায় ডেকে নেয় তার স্ত্রী তামান্না আক্তার। তামান্না অভিযুক্ত হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী। মেয়েটিকে ওই বাসায় নেওয়ার পর আপ্যায়নের নামে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে দেওয়া হয়। এ খাবার খেয়ে চেতনা হারিয়ে ফেললে মেয়েটিকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে হোসেন। এরপর ধারণ করা ভিডিও দেখিয়ে জিম্মি করা হয় কিশোরীকে। তাকে আট মাস ধরে ধর্ষণ করে হোসেন। আর এতে সহায়তা করে তৃতীয় স্ত্রী। মেয়েটি টানা নির্যাতন সহ্য করার পর বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে পরিবার বাসা পরিবর্তন করে নগরীর অন্য জায়গায় গেলেও সেখানে লোকজন নিয়ে মেয়েটিকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা ও হুমকি দেয় হোসেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ওই নারী পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য করুন