পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার কমিশন সিআইডির ঢাকা অঞ্চলের সাব-ইন্সপেক্টর উয়ালিউল্লাহ ও রংপুর অঞ্চলের এএসপি সারোয়ার কবিরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্র জানায়, ওয়ালিউল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগটি অনুসন্ধান করছেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক প্রবীর কুমার দাস। সারোয়ার কবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগটি অনুসন্ধান করছেন প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শাহীন আরা মমতাজ।

ওয়ালিউল্লার বিরুদ্ধে চাকরিকালে উৎকোচ গ্রহণসহ নানা দুর্নীতির মাধ্যমে ঢাকার রাজারবাগে সাততলা ভবন নির্মাণ, উত্তরায় বাড়িসহ জমি কেনা, নেত্রকোনায় বাড়ি ও জমি, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহে জমি, প্রাইভেটকার কেনা ও স্থাবর-অস্থাবর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

এএসপি সারোয়ার কবিরের বিরুদ্ধে চাকরির কয়েক বছরেই কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। দুটি অভিযোগের অনুসন্ধানের তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে নিযুক্ত করা হয়েছে।

গত ১৮ অক্টোবর দিনাজপুরে মা ও ছেলে অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সারোয়ার কবিরকে। চিরিরবন্দর থেকে মা ও ছেলেকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে গত ২৪ আগস্ট সারোয়ার কবিরসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের নামে মামলা করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সিআইডির রংপুর অঞ্চলের এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক, মাইক্রোবাস চালক হাবিবুর ও সিআইডির সোর্স খাসিউর রহমান।

মন্তব্য করুন