ছড়ানো বালুর মধ্যে পড়ে আছে অসংখ্য মাথার খুলি। এর ওপর অবিন্যস্ত কিছু ডালপালা। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটে যাওয়া ঘৃণ্যতম গণহত্যা বোঝাতে এই শিল্পকর্মটি স্থান পেয়েছে পঞ্চম জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ঢাকার যানজটের মতো নাগরিক সমস্যাগুলোও উঠে এসেছে এ প্রদর্শনীতে। গতকাল শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালার দুই ও তিন নম্বর গ্যালারিতে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী এ শিল্পায়োজন। প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে দেশের ১০৭ ভাস্করের গড়া ১১৪টি শিল্পকর্ম। আরও আছে ১৬ জন আমন্ত্রিত এবং প্রয়াত পাঁচ পথিকৃৎ ভাস্করের ভাস্কর্য। প্রদর্শনী চলবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা এ প্রদর্শনী উপভোগ করতে পারবে। গতকাল বিকেলে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংস্কৃতি সচিব মো. আবুল মনসুর, বরেণ্য ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান ও শিল্পী অলক রায়। স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী ১৩ শিল্পীকে পুরস্কৃত করা হয়। 'নেইল্ড লাভ' ভাস্কর্যের জন্য ২ লাখ টাকা মূল্যমানের প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন বিজন হালদার। 'শিরোনামহীন' ভাস্কর্য নির্মাণ করে দেড় লাখ টাকা মূল্যমানের দ্বিতীয় পুরস্কার জিতে নিয়েছেন আসমাউল হুসনা মারিয়া। এক লাখ টাকা মূল্যমানের তৃতীয় পুরস্কার পাওয়া দিনার সুলতানা পুতুলের ভাস্কর্য 'ভিত্তি স্তম্ভ'।

মন্তব্য করুন