যৌন হয়রানি বন্ধে নতুন আইনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়কে যাচাই-বাছাইয়ের পরামর্শ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। এ বিষয়ে বিদ্যমান সব আইন পর্যালোচনা করে একটি প্রতিবেদন দিতে বলেছে তারা। গতকাল রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান, শামসুল হক টুকু, গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, রুমিন ফারহানা, সেলিম আলতাফ জর্জ ও খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন অংশ নেন।

এ ছাড়া সংসদীয় কমিটির আমন্ত্রণে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পার্লামেন্টারিয়ানস অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিপিএডি) পক্ষে সংসদ সদস্য আব্দুস শহীদ, আ স ম ফিরোজ, আ ফ ম রুহুল হক, হাবিবে মিল্লাত, শিরিন আক্তার, নাহিদ ইজাহার খান, আদিবা আনজুম মিতা, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ও শামীমা আক্তার খানম বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার বলেন, হাইকোর্ট বিভাগ ২০১১ সালে যৌন হয়রানি বন্ধে একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাত দফা নির্দেশনা দিয়েছে। কমিটি ওই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে করণীয় নিয়ে আলোচনা করেছে। তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনের অনেকগুলোতেই যৌন হয়রানি রোধে ব্যবস্থা আছে। এসব দেখে নতুন আইনের দরকার আছে কিনা, তা পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন