কক্সবাজারে বেআইনিভাবে পাহাড় কেটে প্লট তৈরি করে বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের সম্পদ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জেলার ফাতেরঘোনা ও নুরু সওদাগরেরঘোনা এলাকায় নওশাদ হোসেন ও আজাদ হাসানের বিরুদ্ধে ওই প্লট বিক্রি করে ১২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুদকের অভিযানে পাহাড় উদ্ধারের সময় দখলকারীদের অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। পরে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুসন্ধান শুরু হয়।

দুদক মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি পাহাড় দখল করে যারা অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের সম্পদও জব্দ করা হবে। দুদক পরিবেশ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের উৎখাতেও বদ্ধপরিকর। মাটি ভরাট ও বৃক্ষরোপণ করে ধ্বংস করা পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনারও উদ্যোগ নেবে দুদক।

দুদক সূত্র জানায়, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী সিন্ডিকেট করে কক্সবাজারের ফাতেরঘোনা ও নুরু সওদাগরেরঘোনা এলাকায় অবাধে সরকারি পাহাড় কেটে প্লট তৈরি করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করছিলেন। এই তথ্য জানার পর দুদক অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে দিয়ে ২০ একর পাহাড় উদ্ধার করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, সিন্ডিকেটের সদস্যরা ওই জেলার সরকারি কর্মকর্তা ও ক্ষমতাশালীদের ঘুষ দিয়ে ম্যানেজ করে পাহাড় কাটার কাজ শুরু করেছিলেন। তারা প্লট বিক্রি করে প্রায় ১২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম গত ২৯ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলার পুলিশ, র‌্যাব ও প্রশাসনের সহায়তায় দখল হওয়া ২০ একর পাহাড় উদ্ধার করেছে।



মন্তব্য করুন