ব্রাজিলের অন্যতম বড় ফুটবল ক্লাব ফ্লামেঙ্গোর ডরমিটরিতে ভয়াবহ আগুন লেগে ছয় ফুটবলারসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর রিও ডি জেনিরোর কাছে এ ক্লাবটির ইয়ুথ ফুটবল দলের অনুশীলন কেন্দ্রে মূলত এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নিহতদের চারজন ক্লাবের একাডেমির খেলোয়াড়, দু'জন ভর্তিচ্ছু, বাকি চারজন ক্লাবের কর্মকর্তা। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ধারণা, ঘুমিয়ে থাকার কারণে সময়মতো আগুন টের না পাওয়াতেই হতাহতের ঘটনাটি ঘটেছে। খবর বিবিসির।

কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় হঠাৎ করে ডরমিটরিতে আগুন লাগে। এ সময় খেলোয়াড়রা

ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসা ছবিতে দেখা যায়, ভয়াবহ আগুনে ওই ডরমিটরির বড় একটি অংশ পুড়ে গেছে।

রিও ডি জেনিরোর পশ্চিমে ভারগেম গ্রান্দে অবস্থিত ফ্লামেঙ্গোর স্পোর্টস কমপ্লেক্স। এখানে মূলত একাডেমির খেলোয়াড়রাই থাকে। ১৪ থেকে ১৭ বছরের কিশোর ফুটবলারদের আবাসস্থল এটি।

রিও পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, এখানে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আহত তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

ফ্লামেঙ্গো দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাবগুলোর একটি। এটি ব্রাজিলের শীর্ষ লীগে খেলছে। আন্তর্জাতিকভাবেও বেশি পরিচিত ফ্লামেঙ্গো ক্লাব।

গ্লোবো টিভির সূত্র জানিয়েছে, নিনহো ডি উরুবুর পুরনো অংশে আগুনের সূত্রপাত। সেখানে ক্লাবের ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সীরাই থাকে। রিয়ালে আসার আগে এ ক্যাটাগরিতে খেলেই সবার নজরে এসেছেন খেলোয়াড় ভিনিসিয়াস।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর টুইটারে ভিনিসিয়াস লিখেছেন, 'কী কষ্টের সংবাদ। সবার জন্য প্রার্থনা করুন। সবাই শান্ত থাকুন, শক্ত থাকুন।' ভিনিসিয়াসের আরেক সঙ্গী এসি মিলানের লুকাস পাকুয়েতাও সবাইকে প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।





মন্তব্য করুন