ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পাঁচ বৈধ প্রার্থীর মধ্যে গতকাল রোববার প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণের সম্প্রসারিত ৩৬টি সাধারণ ও ১২টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদের বৈধ প্রার্থীদেরও প্রতীক দেওয়া হয়েছে।

গতকাল সকালে ঢাকা উত্তর মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম। আর দক্ষিণের সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল। প্রতীক পেয়েই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন প্রার্থীরা।

ভোট গ্রহণের ৩২ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা।

মেয়র পদে ঢাকা উত্তরে আওয়ামী লীগের আতিকুল ইসলাম নৌকা, জাতীয় পার্টির শাফিন আহমেদ লাঙ্গল, এনপিপির আনিসুর রহমান দেওয়ান আম, স্বতন্ত্র আবদুর রহিম টেবিল ঘড়ি, পিডিপির শাহীন খান বাঘ প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

শনিবার শেষ দিনে মেয়র পদের প্রার্থিতা থেকে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) ববি হাজ্জাজ তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। ঢাকা উত্তর সিটির ৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মারা যাওয়ায় এ দুটিতে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদের উপনির্বাচনে দুই প্রার্থীর মধ্যে একজন সরে দাঁড়িয়েছেন। এর ফলে ওই ওয়ার্ডের মুজিব সরোয়ার মাসুম একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। অন্য ১৯টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে ৪০ জন এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৬টি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের মধ্যে একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এ অবস্থায় সাধারণ ওয়ার্ডে ১২৪ জন এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নতুন ১৮টি সাধারণ ওয়ার্ড ও নারীদের জন্য সংশ্নিষ্ট ৬টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের মধ্যে মোট ২৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে একজন এবং সাধারণ ওয়ার্ডে ২৪ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। তবে এর ফলে কোনো ওয়ার্ডে একক প্রার্থী নেই। ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

ঢাকা উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম ও দক্ষিণের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল বলেন, প্রতীক পেয়েই প্রচারে নামতে পারবেন প্রার্থীরা। ভোটের ৩২ ঘণ্টা আগে প্রচার-প্রচারণা বন্ধ করতে হবে। অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা নাগাদ সবাই প্রচার চালাতে পারবেন। ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি।





মন্তব্য করুন