রাজশাহীতে অধ্যক্ষ লাঞ্ছনা

ছাত্রলীগের সেই নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০১৯      

রাজশাহী ব্যুরো

ছাত্রলীগের সেই নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার

রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিনকে লাঞ্ছিত ও পুকুরে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার কয়েকজন সমকাল

রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে পুকুরে ফেলে দেওয়া মামলার প্রধান আসামিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর এবং সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলো- নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বজলুর রহমানের ছেলে ও প্রধান আসামি কামাল হোসেন সৌরভ, পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের রইচ শেখের ছেলে সাব্বির আহমেদ ওরফে শান্ত, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা সদরের শামিমুল ইসলামের ছেলে সালমান টনি, রাজশাহী মহানগরীর ভদ্রা এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে রায়হানুল ইসলাম ওরফে হাসিব এবং রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের মাহাতাব আলীর ছেলে মুরাদ হোসেন। তাদের মধ্যে সৌরভ রাজশাহী পলিটেকনিক শাখা ছাত্রলীগের বহিস্কৃত যুগ্ম সম্পাদক এবং অন্য সবাই ছাত্রলীগের নেতা ও কর্মী।

মিডটার্মে ফেল এবং ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা ছাত্রলীগ নেতা সৌরভকে ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে গত ২ নভেম্বর সকালে অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিনের কার্যালয়ে গিয়ে চাপ দেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে ওই দিন দুপুরে অধ্যক্ষকে টেনেহিঁচড়ে ক্যাম্পাসের ভেতরের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেন অধ্যক্ষ। পরে পুলিশ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করলেও মূল হোতারা ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে। অবশেষে মূল হোতা সৌরভসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।

আরএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, ঘটনার পর থেকেই মূল হোতারা আত্মগোপন করেছিল। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।