ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক গার্মেন্ট কর্মীকে বাসায় ডেকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মাদারটেকের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটলেও গত সোমবার রাতে ঘটনার শিকার নারী সবুজবাগ থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার মূল অভিযুক্ত সঞ্জীব কুমার দাস ও সহযোগী এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে। সঞ্জীব নিজেকে মাদারীপুর জেলা বিআইডব্লিওটিএর চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বলে দাবি করেছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারীর বাড়ি ঝালকাঠিতে। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের এক স্বজনের বাসায় থেকে ওই এলাকাতেই স্থানীয় একটি গার্মেন্টে চাকরি করেন। পাঁচ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়েছে।

ওই নারী বলেছেন, সঞ্জীব দাস তার পূর্বপরিচিত। দীর্ঘদিন পর ১০ ফেব্রুয়ারি তার সঙ্গে দেখা হলে তিনি তার কুশল বিনিময় করেন। এক পর্যায়ে সুযোগ থাকলে তাকে ভালো কোনো চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অনুরোধও করেন। এর পাঁচ দিন পর ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সঞ্জীব তাকে ফোন করে জানান, ব্যাংকে ভালো চাকরির সন্ধান পেয়েছেন। ব্যাংকের লোকজনের সঙ্গে কথা বলার জন্য ওই দিনই তাকে মাদারটেক টেম্পোস্ট্যান্ডে যেতে বলা হয়। তিনি সন্ধ্যা ৬টার দিকে সেখানে যান।

ঘটনার শিকার নারী পুলিশকে জানিয়েছেন, সঞ্জীব দাস তাকে সেখান থেকে দক্ষিণ মাদারটেকের একটি বাড়ির ষষ্ঠ তলায় নিয়ে একটি কক্ষে বসিয়ে রেখে সেই কর্মকর্তাদের বাসায় নিয়ে আসার কথা বলে বের হন। পরে রাত ৯টার দিকে তিন লোকসহ সঞ্জীব বাসায় ফেরে। পরে সবাই তাকে ধর্ষণ করে। ওই বাসায় থাকা এক নারী এসব কাজে সহায়তা করে।

সবুজবাগ থানার পরিদর্শক (অভিযান) আসগর আলী জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মূল অভিযুক্ত সঞ্জীব ও আনিকা নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদেরও নাম-ঠিকানা পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।





মন্তব্য করুন