পৃথিবীর মতো মঙ্গলেও রয়েছে আগ্নেয়গিরি। লাল গ্রহটিতে সন্ধান পাওয়া একটি আগ্নেয়গিরি সৌরজগতের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এর নাম অলিম্পাস মন্স। রয়েছে গ্রহটির থারসিস নামক এলাকায়। ওই এলাকায় শনাক্ত হওয়া অন্য তিনটি আগ্নেয়গিরির নাম অ্যাসক্রেয়াস মন্স, প্যাভনিভ মন্স ও আরসিয়া মন্স। এ এলাকার পূর্ব দিকে রয়েছে নকটিস ল্যাবিরিন্থাস উপত্যকা। পশ্চিম দিকে আছে আরও বড় উপত্যকা, যার নাম ভেল্‌স মারিনেরিস। সম্প্রতি অলিম্পাস মন্সের ছবি তুলে পাঠিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মহাকাশযান আল-আমাল, ইংরেজিতে যার নাম হোপ। দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ও মোহাম্মদ বিন রশিদ স্পেস সেন্টার সেই ছবি প্রকাশ করেছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলে পা ছোঁয়ানোর পর বহু ছবি পাঠিয়েছে নাসার ল্যান্ডার ও রোভার পারসিভিয়ারেন্স। এর কয়েক দিন আগে কক্ষপথ থেকে লাল গ্রহের ছবি তুলে পাঠিয়েছিল চীনের মহাকাশযান তিয়ানওয়েন-১। নাসার রোভার পারসিভিয়ারেন্সের মতো আমিরাতের হোপ মহাকাশযানে কোনো ল্যান্ডার বা রোভার নেই। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল ও ঋতু পরিবর্তনের বিষয়ে অনুসন্ধান চালাতে হোপ মঙ্গলের কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করবে দেড় বছর ধরে।

চীনা মহাকাশযানে ল্যান্ডার ও রোভার রয়েছে। সেটি লাল গ্রহের বুকে পা ছোঁয়াবে মে মাসে। সূত্র :স্পেস ডটকম।

মন্তব্য করুন