মানুষের সঙ্গে কথা বলবে মাথায় পরিহিত হেলমেট। বুঝতে পারবে মানুষের মনও। এমন হেলমেট তৈরি করেছে কারনেল নামে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বেসরকারি নিউরোটেকনোলজি প্রতিষ্ঠান। এতে এমনসব সেন্সর ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলো মস্তিস্কের বৈদ্যুতিক পালস ও রক্তে প্রবাহের গতি পরিমাপ এবং বিশ্নেষণ করতে পারে। এসব প্রযুক্তিতে ব্যবহার হয় উঁচুমানের যন্ত্র। এসব যন্ত্র ব্যবহারে পরীক্ষার জন্য রোগীকে ক্লিনিক্যাল সেটআপে নিয়ে যেতে হয়। কিন্তু এ প্রযুক্তি এবার হেলমেটের মধ্যেই নিয়ে আসা হয়েছে। যে কেউ এই হেলমেট পরে ঘুরে বেড়াতে পারবে। গবেষকরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে মস্তিস্কের পকস্ফতা, মানসিক অস্থিরতা, স্ট্রোকের মতো বিষয়গুলো আরও নিবিড়ভাবে অনুসন্ধান করা যাবে।

হেলমেটটি তৈরি করতে প্রায় পাঁচ বছর সময় লাগার কথা জানিয়েছেন স্টার্টআপ কোম্পানি কারনেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রায়ান জনসন। এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১১ কোটি ডলার। সফলভাবে এটি তৈরির পর বাজারজাতেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাহকরা তা হাতে পেতে যাচ্ছে। এর জন্য ওই গ্রাহকদের গুনতে হবে ৫০ হাজার ডলার। তবে ২০৩০ সাল নাগাদ এই হেলমেটের দাম একটা স্মার্টফোনের দামে নামিয়ে আনতে চায় কারনেল। জনসন জানান, হেলমেট ব্যবহারকারীরা মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। সূত্র :এনডিটিভি।

বিষয় : হেলমেট

মন্তব্য করুন