বাগেরহাট ও হবিগঞ্জে সংঘর্ষে নিহত ২

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৬      

সমকাল ডেস্ক

হামলা-সংঘর্ষে বাগেরহাটের মোল্লাহাট ও হবিগঞ্জের মাধবপুরে ২ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কৃষকের ঘরবাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধির পাঠানো খবর :
বাগেরহাট : মোল্লাহাট উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের সংঘর্ষে মকফার চৌধুরী (৬০) নামে একজন নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে মোল্লাহাট উপজেলার সিংগাতী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও মোল্লাহাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সিংগাতী গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের কাওসার আলী চৌধুরী ও এনায়েত চৌধুরীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার মৌবাজারে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দু'পক্ষের সমর্থক মিকাইল ও ইকলিবুরের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে শনিবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজনদেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে কাওসার আলী চৌধুরীর ভাই মকফার চৌধুরীকে প্রতিপক্ষের লোকজন এলোপাতাড়িকোপালে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) :হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার খড়কি গ্রামে পরাজিত মেম্বার ও বিজয়ী মেম্বার পক্ষের লোকজনদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ভোরে আহত ফারুক মিয়া চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের খড়কি গ্রামের বিজয়ী মেম্বার মোনায়েম খান ও পরাজিত মেম্বার প্রার্থী আবদুল হাইয়ের লোকজনদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে শুক্রবার দুপুর থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়।
আগৈলঝাড়া (বরিশাল) :বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শুক্রবার রাতে এক কৃষকের ঘর ভাংচুর করে মালপত্র লুটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রাজিহার ইউনিয়নের বসুণ্ডা গ্রামের মৃত নলিনীকান্ত হালদারের একমাত্র ছেলে নিখিল চন্দ্র হালদার। তার জায়গা-জমি আত্মসাতের লক্ষ্যে তাকে বাড়ি থেকে মারধর করে বের করে দেয় চাচা সুবোধ হালদার ও তার লোকজন।