ধর্মপাশা ও বকশীগঞ্জে ২০ জন আহত

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৬      

সমকাল ডেস্ক

হামলা-সংঘর্ষে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও জামালপুরের বকশীগঞ্জে ২০ জন আহত হয়েছেন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) :ধর্মপাশায় দু'পক্ষের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাবিলখাঁ নোয়াগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা আবদুল কাইয়ুম ও আবদুস সাত্তারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত বিষয়সহ নানা বিষয়ে বিরোধ চলে আসছে।
শুক্রবার সকালে কাবিলখাঁ নোয়াগাঁও জামে মসজিদে স্থানীয় এক ব্যক্তি একটি কুমড়া দান করেন। ওই দিন জুমার নামাজ শেষে নিলামে কুমড়ার দাম নির্ধারণ নিয়ে আবদুল কাইয়ুম ও আবদুুস সাত্তারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এরই জেরে শনিবার বিকেলে ওই গ্রামের পেছনের মাঠে
দু'পক্ষের লোকজনের মাঝে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
বকশীগঞ্জ (জামালপুর) :বকশীগঞ্জে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলায় নারী-শিশুসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার নিলাক্ষিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলার নিলাক্ষিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের চান্দু ও আইয়ুব আলীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে একই গ্রামের মাওলানা সাইয়ুম খন্দকারের বিরোধ চলে আসছে। শনিবার সকালে সাইয়ুম খন্দকার লোকজন নিয়ে চান্দু মিয়া ও আইয়ুব আলীর বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের মালপত্র লুট করে নিয়ে যায়। হামলায় বাধা দিতে গিয়ে রিনা আক্তার, আলা, রুকনসহ পাঁচজন আহত হন। এ ব্যাপারে চান্দু মিয়া জানান, সাইয়ুম খন্দকার লোকজন দিয়ে বিভিন্ন সময় তার বসতবাড়ির জমি দখল করার চেষ্টা করেছে। সাইয়ুম তাদের নামে মিথ্যা মামলাও দিয়েছে।
এদিকে, সাইয়ুম খন্দকার হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তার জানা নেই।