নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ৩০০ বছরের পুরনো রমজান মিয়া জামে মসজিদ মোগল আমলের মুসলিম স্থাপত্যের বিরল নিদর্শন। সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটিকে সংস্কার-সংরক্ষণের জন্য তালিকাভুক্ত করলেও কোনো কার্যক্রম শুরু করেনি। ফলে নষ্ট হচ্ছে এ মসজিদের স্মৃতিচিহ্ন। সরকারিভাবে পুরকীর্তি সংরক্ষণ ট্টগ্রাম বিভাগের তালিকায় ৬ নম্বরে রয়েছে এ মসজিদের নাম। মসজিদ কমিটির সভাপতি খাজা মাঈনউদ্দিন চৌধুরী জানান, প্রায় ৩০০ বছর আগে তাদের পূর্বপুরুষ শেখ নুরুল্লাহ চৌধুরী ও শেখ মজির উল্যাহ চৌধুরী এ মসজিদ নির্মাণ করেছেন বলে তিনি শুনেছেন। বর্তমানে এ মসজিদে ৫০০-৬০০ মুসলি্ল নামাজে আসেন বিধায় জায়গার সংকুলান হয় না। আর্থিক সংকটের কারণে মসজিদটি মেরামতও করা যাচ্ছে না। তিন গম্বুজবিশিষ্ট প্রাচীনকালের এ স্থাপত্য নিদর্শনের অভ্যন্তরে চমৎকার কারুকার্য যত্নের অভাবে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইউছুপ নবীজান জানালেন, মসজিদটি বহু বছরের পুরনো বিধায় সরকার সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে শুনেছেন। এখনও কোনো উন্নয়ন হয়নি। কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, এ এলাকায় এত পুরনো মসজিদ রয়েছে_ বিষয়টি তার জানা ছিল না। তিনি মসজিদটি সরজেমিন দেখেছেন। প্রাচীনকালের স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণে তিনি প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখবেন বলেও জানান।

মন্তব্য করুন