৩৫ কাঠুরিয়া হত্যার বিচার হয়নি ২২ বছরেও

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

প্রদীপ চৌধুরী, খাগড়াছড়ি

রাঙামাটির লংগদুর পাকুয়াখালীর ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি ২২ বছরেও। পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসের শোকাবহ এক কালো দিন ছিল ৯ সেপ্টেম্বর। বর্বর এ হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার পায়নি নিহতদের পরিবার। ১৯৯৬ সালের লংগদু-বাঘাইছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকুয়াখালীর গহিন অরণ্যে ৩৫ কাঠুরিয়াকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে নির্যাতনের পর নির্মমভাবে হত্যা করে তৎকালীন শান্তি বাহিনী নামের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ।

সেদিন তাদের মধ্যে ইউনুছ নামের এক কাঠুরিয়া পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হন। পরে ১১ সেপ্টেম্বর পুলিশ ও সেনাবাহিনী পাকুয়াখালী থেকে ২৮ কাঠুরিয়ার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে। বাকি সাত কাঠুরিয়ার লাশ পাওয়া যায়নি। সেদিন থেকে পার্বত্যাঞ্চলের বাঙালিরা এ দিনটিকে পাকুয়াখালী ট্র্যাজেডি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুল গণহত্যার মধ্যে অন্যতম ঘটনা।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিযোগ, ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরপর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের একটি সংসদীয় টিম লংগদু সফর করে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে আসে। পরবর্তী সরকারগুলোও একই আশ্বাস দিয়ে এলেও এখনও এ ঘটনার কোনো কুলকিনারা হয়নি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, বিনা অপরাধে ৩৫ বাঙালিকে হত্যা করেছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। কিন্তু তার বিচার হয়নি। শুধু পাকুয়াখালীর ৩৫ কাঠুরিয়া নয়, পার্বত্যাঞ্চলে অনেক বাঙালি হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেও তা অধরাই থেকে যায়।

এদিকে পাকুয়াখালীর ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যা দিবস উপলক্ষে রোববার লংগদুতে গণকবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল, স্মরণ সভা ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।

১৯৯৬ সালে রাঙামাটির লংগদুতে ৩৫ কাঠুরিয়াকে হত্যার বিচার দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। রোববার সকালে খাগড়াছড়ি শাপলা চত্বর এলাকায় পার্বত্য অধিকার ফোরাম ও বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙালি ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পার্বত্য অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. মাঈন উদ্দিন, সদস্য সচিব এসএম মাসুম রানা, বাঙালি ছাত্র পরিষদের জেলা কমিটির আহ্বায়ক মো. জাহেদ হাসান, দীঘিনালা শাখার সভাপতি মো. আল আমিন, মো. মহিউদ্দিন প্রমুখ।

মানববন্ধন থেকে ৩৫ কাঠুরিয়ার হত্যাকারীদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে নিহতদের স্মরণে স্মৃতিফলক নির্মাণ, পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারকে পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়। এদিকে একই দাবিতে বাঙালি ছাত্র পরিষদের অন্য একটি অংশ একই স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।
মরা চড়কও 'প্রাণ' পায় অমলের ঢোলে

মরা চড়কও 'প্রাণ' পায় অমলের ঢোলে

বড়াল নদীর পাড়। বোঁথর চড়কবাড়ি গ্রাম। গ্রাম বললে খানিকটা ভুল ...

আনিসের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে চান আতিক

আনিসের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে চান আতিক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র নির্বাচিত হলে প্রয়াত মেয়র ...

কথা রাখেননি ব্যবসায়ীরা

কথা রাখেননি ব্যবসায়ীরা

সম্প্রতি দেশে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ থেকে ৭ টাকা। ...

মামলায় বিপাকে বিএনপি

মামলায় বিপাকে বিএনপি

অসংখ্য মামলায় অভিযুক্ত ও কারাগারে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি নিয়ে বিপাকে ...

রাস্তা পার হতে গিয়ে পরপারে কলেজছাত্রী

রাস্তা পার হতে গিয়ে পরপারে কলেজছাত্রী

সকালে কলেজে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয় শিক্ষার্থী সোমা। ...

ইচ্ছামতো চলছে বাস, পথচারীও

ইচ্ছামতো চলছে বাস, পথচারীও

শাহবাগ মোড় থেকে বাংলামটর যাওয়ার রাস্তাটি পুরোটাই ফাঁকা। তবে ট্রাফিক ...

২২৬ আইডি পেজ শনাক্ত

২২৬ আইডি পেজ শনাক্ত

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক মন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ...

এবার চ্যাম্পিয়নদের হারাল সিলেট

এবার চ্যাম্পিয়নদের হারাল সিলেট

তলানিতে পড়ে থাকা দল রাজশাহীর কাছে এরআগে ম্যাচ হেরেছে গেলবারের ...