'মৃত' সাথীর জীবিত ফেরা

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

যশোর অফিস

ঠিকমতো লাশ শনাক্ত না হওয়ায় ঘটে গেল এক নাটকীয় কাণ্ড। ২৯ আগস্টের ঘটনা। যশোর সরকারি সিটি কলেজের ডোবা থেকে পলিথিন মোড়ানো এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন লাশটি দাফন করে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম। এরপর ওই দিনই মরদেহের ছবি দেখে চৌগাছার এক ব্যক্তি দাবি করেন, লাশটি তার মেয়ে সাথী খাতুনের। সেই ঘটনার ১১ দিন পর সাথীর জীবিত প্রত্যাবর্তন হলো। নিজের ইচ্ছায় প্রেমিকের সঙ্গে আত্মগোপনে থাকা এক সন্তানের মা সাথী রোববার বাড়ি ফিরেছেন। এখন পুলিশ খুঁজছে, মরদেহটি আসলেই কার।

সাথীর বাড়ি চৌগাছা উপজেলার নয়ড়া গ্রামে। ভুল শনাক্তের পর তার বাবা আমজেদ আলী এক এনজিও কর্মীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে অনেক তথ্য। পুলিশ নিশ্চিত হয়, সাথী বেঁচে আছেন। নিজের ইচ্ছাতেই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। গতকাল যশোর সদর উপজেলার ইছালি জলকর গ্রামে এক বাড়িতে পাওয়া যায় তাকে। সাথীকে জীবিত পাওয়ার পর কলেজ ক্যাম্পাসের ডোবায় পড়ে থাকা গলিত মরদেহটি কার- তা নিয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি অপূর্ব হাসান বলেন, এখন লাশটির প্রকৃত পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা যশোর কোতোয়ালি থানার এসআই আমিরুজ্জামান জানান, পুলিশ গোপন সূত্রে জানতে পারে সাথী হত্যাকাণ্ডের শিকার হননি। তিনি জীবিত আছেন।