স্টোরকিপারের বিরুদ্ধে ওষুধ আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

বরিশাল ব্যুরো

বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে রোগীর জন্য বরাদ্দ বিনামূল্যের কয়েক লাখ টাকার ওষুধ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গত ২৬ জানুয়ারি জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গেলে বিষয়টি ধরা পড়ে। এ ঘটনা তদন্তে ২৭ জানুয়ারি উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক সব্যসাচী দাসকে প্রধান করে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. একেএম শামসুদ্দিন বলেন, ৫ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

জানা যায়, গত ডিসেম্বর মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের জন্য বিনামূল্যের বিভিন্ন ওষুধের যে চাহিদাপত্র দেওয়া হয়, তার কয়েকগুণ বেশি ওষুধ রেজিস্টার খাতায় লেখেন স্টোরকিপার মনিরুজ্জামান। ডিসেম্বর মাসে আন্তঃবিভাগের জন্য ৩০০ অ্যান্টিবায়োটিক ক্যাপসুল ও ব্যথানাশক ইনজেকশন ১৮০ পিসের চাহিদা দেওয়া হয়। কিন্তু মনিরুজ্জামান ওই ওষুধ সরবরাহ করলেও স্টোরের রেজিস্ট্রারে ৩০০ অ্যান্টিবায়োটিক ক্যাপসুলের স্থলে ৪ হাজার ৩০০ এবং ব্যথানাশক ইনজেকশন ১৮০ পিসের স্থলে ১ হাজার ৮০০ পিস লেখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে জেলা সিভিল সার্জনের কাছে অভিযোগ করা হয়। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পান।

তদন্ত কমিটির সদস্য ডা. শওকত আলী জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে কয়েক লাখ টাকার বিনামূল্যের ওষুধ আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে।

অভিযুক্ত স্টোরকিপার মনিরুজ্জামান জানান, তিনি কোনো ওষুধ আত্মসাৎ করেননি। রেজিস্টার খাতায় কিছু ভুলত্রুটি হয়েছে। তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।