কচা নদীতে ডুবোচরে আটকে ফেরি চলাচল ব্যাহত

ভাণ্ডারিয়ায় ১২ রুটে জনদুর্ভোগ

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

কচা নদীতে ডুবোচরে আটকে ফেরি চলাচল ব্যাহত

ভাণ্ডারিয়ায় কচা নদীতে ডুবোচরে আটকেপড়া ফেরি সমকাল

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার কচা নদীর বিভিন্ন স্থানে ডুবোচরে আটকা পড়ে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ফেরি চালাচল। ফলে ভাণ্ডারিয়া-খুলনাসহ ১২টি রুটের যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। মাঝ নদীতে ফেরি আটকে থাকার কারণে প্রতিনিয়ত ফেরির দুই পাড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

ভুক্তভোগী ও সংশ্নিষ্টরা জানান, চরখালী-টগড়া ফেরি রুট দিয়ে প্রতিদিন ঢাকাসহ দক্ষিণাঞ্চলের ১২টি রুটের যান চলাচল করে। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এ নদীটি পার হতে বছরের অন্যান্য সময় ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময় লাগলেও, শীত মৌসুমে এ চিত্র পুরোটাই উল্টো। এ সময় নদীতে পানি কমে যাওয়ায় প্রায়ই ফেরি আটকা পড়ে ডুবোচরে। নদীর প্রায় অর্ধেকটাজুড়েই রয়েছে ডুবোচর। আর এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি আটকে থাকে নদীর মাঝখানে। আর যতক্ষণ নদীতে জোয়ার না আসে, ততক্ষণ এ অপেক্ষা করতে হয়। নদীতে ফেরি আটকে থাকায় যাত্রীসহ গাড়িচালকদের মূল্যবান সময় নষ্টসহ নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হয়। এ ছাড়া ভাটার সময় পন্টুন অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় ফেরিতে গাড়ি উঠতেও অনেক সমস্যা হচ্ছে।

এদিকে কচা নদীর নাব্য সংকট দূর করতে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সরকারকে অতি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন টগড়া-চরখালী ফেরি রুট ব্যবহারকারীরা। চরখালী ফেরির ইজারাদার মো. জসীম উদ্দিন জানান, কচা নদীতে ড্রেজিং না করলে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েই যাবে।

পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ফকরুল ইসলাম বলেন, কচা নদীর নাব্য সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তপক্ষকে জানানো হয়েছে।