বৈশাখী ভাতা পেলেন না ওসমানীনগরের শিক্ষকরা

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০১৯

ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি

সরকার প্রথমবারের মতো দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা দিয়েছে। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে নববর্ষের আগে ভাতার টাকা পেলেন না সিলেটের ওসমানীনগরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

৯ এপ্রিল টাকা বণ্টনকারী অগ্রণী, রূপালী, জনতা ও সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার টাকা ছাড় দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্নিষ্ট ব্যাংকের শাখা থেকে ভাতার টাকা উত্তোলনের শেষ তারিখ ধার্য ছিল ১১ এপ্রিল। কিন্তু ওসমানীনগরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতার টাকা শেষ তারিখেও দিতে পারেনি জনতা ব্যাংক তাজপুর শাখা। একই অবস্থা মাদ্রাসা শিক্ষকদেরও। শুধু ভাতা নয়, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় বিভিন্ন সময়ে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে বেতনও পান না শিক্ষকরা। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল লেইছ বলেন, সরকার নববর্ষ উপলক্ষে শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতা দিলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে নববর্ষের আগে ভাতার টাকা পাইনি। বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে বেতনও পাওয়া যায় না।

জনতা ব্যাংক তাজপুর শাখার ব্যবস্থাপক সুভাশীষ চক্রবর্ত্তী বলেন, ১১ এপ্রিল শেষ তারিখ ধার্য থাকলেও ওইদিন পর্যন্ত ব্যাংকের শাখায় ভাতার টাকা পৌঁছায়নি বলে তারা শিক্ষকদের টাকা দিতে পারেননি। সিলেটের সব উপজেলায় একই অবস্থা ছিল। সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আসলাম উদ্দিন বলেন, কী কারণে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট সময়ে শিক্ষকদের ভাতার টাকা দিতে পারেনি, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।