সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

মোংলা বন্দরে খুলনা শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদাবাজি

প্রকাশ: ২৩ মে ২০১৯      

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট

মোংলা সমুদ্রবন্দর বাগেরহাট জেলায় হলেও খুলনা শ্রমিক ইউনিয়নের নামে এ বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান থেকে চাঁদাবাজি চলছে। এমন অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাগেরহাট জেলা ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেছেন, মোংলা বন্দরের আমদানি-রফতানিসহ বন্দরের শিল্প এলাকায় পণ্য আনা-নেওয়ার কাজে আসা ৫ শতাধিক ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান থেকে প্রতিদিন লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছেন খুলনা শ্রমিক ইউনিয়নের দুই নেতা। বুধবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বাগেরহাট জেলা ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি কাজী আবুল হাসান এমন অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাগেরহাট জেলা ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, খুলনা মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি আ. রহিম বক্স দুদু মিয়া, শ্রমিক নেতা সরোয়ার হোসেন ওরফে সরো কাজী খুলনা শ্রমিক ইউনিয়নের নামে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার দ্বিগরাজে ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান থেকে চাঁদাবাজি করছেন। মোংলা বন্দর ও শিল্প এলাকায় প্রবেশদ্বার দ্বিগরাজে অবৈধ টোল আদায়কে কেন্দ্র খুলে বিএনপির এই দুই শ্রমিক নেতা তাদের লোকজন দিয়ে শ্রমিকদের তথাকথিত কল্যাণ তহবিলের নামে ৬ চাকার প্রতিটি ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান থেকে ৫০ টাকা, ১০ চাকার প্রতিটি ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান থেকে ১০০ টাকা ও প্রতিটি ট্রেইলার থেকে ১৫০ টাকা চাঁদা আদায় করছেন। এই চাঁদাবাজির ফলে ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান মালিকরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে অবিলম্বে মোংলার দ্বিগরাজে খুলনা শ্রমিক ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কার্যকরী সভাপতি ছাড়াও অর্থ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন, বাগেরহাট জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক  সভাপতি এস এ খালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।