একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প ঈশ্বরগঞ্জে মাঠ সহকারী লাঞ্ছিত

প্রকাশ: ২৩ মে ২০১৯      

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ঈশ্বরগঞ্জে সরকারি দপ্তরের এক নারী কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় থানায় দপ্তরটির পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ

দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

উপজেলায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাঠ সহকারী হিসেবে কর্মরত আছেন শরিফা আক্তার। মগটুলা ইউনিয়নের নওপাড়া নাওরী এলাকায় একটি সমিতি গঠন করা হয়। সমিতির সম্ভাব্য সভাপতি করা হয় রাকিব হাসান খান নামের এক ব্যক্তিকে। তিনি সমিতির সদস্যও। নাওরী গ্রামের আবদুল কদ্দুস খানের ছেলে রাকিব। সমিতির ১০ সদস্যের এক বছরের সঞ্চয় বাবদ ২ হাজার ৪০০ টাকা করে জমা নেন রাকিব। কিন্তু তা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের অফিস সহকারীর কাছে জমা দেননি। সঞ্চয়ের টাকার ওপর ভিত্তি করেই আগামী অর্থবছরে সদস্যরা ঋণ পাবেন। সেজন্য সদস্যদের চাপ দিতে শুরু করেন মাঠ সহকারী শরিফা আক্তার। মাঠপর্যায়ে সমিতির সদস্যদের কাছে গিয়ে জানতে পারেন টাকা এরই মধ্যে জমা নিয়ে গেছেন রাকিব। বিষয়টি স্বীকার করলেও দপ্তরে টাকা জমা দেওয়া নিয়ে টালবাহানা শুরু করেন রাকিব।

এ পরিস্থিতিতে বুধবার সমিতির সদস্য তোফাজ্জালের বাড়িতে সকাল ১১টার দিকে সদস্যদের এক বৈঠক ডাকা হয়। সেই বৈঠকে কথাবার্তার একপর্যায়ে রাকিব খান নারী কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে উত্তপ্ত কথা বলতে শুরু করেন। নারী কর্মকর্তাকে মারধর করতে উদ্যত হলে উপস্থিত লোকজন তাকে নিবৃত করেন। পরে বিষয়টি বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমন্বয়কারীসহ মাঠ কর্মীরা বিচার চান। ওই ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে রুমানা তুয়া অভিযুক্ত রাকিব খানকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন।

মাঠ সহকারী শরিফা আক্তার বলেন, সমিতির সদস্যদের কাছ থেকে টাকা তুলে তা জমা দিচ্ছেন না রাকিব। টাকা চাওয়ায় তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করে মারতে উদ্যত হন। অভিযুক্ত রাকিব খান বলেন, তিনি আট সদস্যের কাছ থেকে টাকা জমা নিয়েছেন। টাকাগুলো আজকে (বুধবার) দেওয়ার জন্য মিটিং ডাকা হয়েছিল। সেখানে তার সঙ্গে

খারাপ আচরণ করা হয়েছে। তিনি কিছুই করেননি।