ছোট ভাইয়ের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে বেঁধে নির্যাতন

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৯      

শেরপুর প্রতিনিধি

জেলার নকলা উপজেলায় ছোট ভাইয়ের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করেছে বড় ভাই ও তার স্ত্রী। নির্যাতনে ডলি খানম নামে ওই কলেজছাত্রীর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। এর বিচার চেয়ে নির্যাতিতার স্বামী শফিউল্লাহ গত ৩ জুন শেরপুরের আমলি আদালতে নালিশি মামলা করেন। বিচারিক হাকিম শরীফুল ইসলাম খান মামলাটি আমলে নিয়ে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জামালপুরের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে নির্দেশ দেন। এরই মধ্যে ঘটনার এক মাস পর মঙ্গলবার নির্যাতনের ভিডিও ফাঁস হওয়ায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

নকলা পৌর শহরের কায়দা গ্রামের মৃত হাতেম আলীর ছেলে শফিউল্লাহর সঙ্গে জমি নিয়ে তার বড় ভাই আবু সালেহ, নেছার উদ্দিন ও সলিম উল্লাহর বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে মামলাও চলমান। গত ১০ মে স্থানীয় গোরস্তান সংলগ্ন শফিউল্লাহর দখলে থাকা ওই জমিতে আবু সালেহ ও তার লোকজন ধান কাটতে যায়। এ সময় শফিউল্লাহ বাধা দিলে তাদের ধাওয়ায় তিনি পিছু হটে থানায় যান। আবু সালেহ লোকজন নিয়ে ধান কাটতে শুরু করলে শফিউল্লাহর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ডলি তাদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আবু সালেহ, তার ছোট ভাই সলিমউল্লাহসহ অন্যরা তাকে ঘেরাও করে ফেলে।

ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, একটি ইউক্যালিপটাস গাছে গৃহবধূ ডলিকে রশি দিয়ে হাত-পা বাঁধছেন বোরখা পরা দুই নারী। এক পর্যায়ে বোরখার ওড়না দিয়ে অন্য আরেকটি গাছের সঙ্গে টানা দিয়ে বেঁধে ফেলা হয় তার দুই পা। এভাবেই ডলি খানমের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। পাশে দাঁড়ানো পাঞ্জাবি, মাথায় টুপি ও চোখে চশমা পরা এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে কথা বলছেন। পাশে আরও কয়েকজন নারী ও কয়েকজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।