লক্ষ্মীপুরের সাক্ষরতা প্রকল্পের ৪ কর্মকর্তা অবরুদ্ধ

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০১৯      

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ও রায়পুর সংবাদদাতা

শিক্ষকদের মাসিক বেতনের টাকা আত্মসাৎ ও ভুয়া নিয়োগের অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের উপজেলা পরিচালক রাশেদ ভূইয়া, সুপারভাইজার কামরুল ইসলাম ও মাসুদসহ চার কর্মকর্তাকে ৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন প্রকল্পের শিক্ষকরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পৌর শহরের মোহাম্মদ আলী সড়কে অবস্থিত প্রকল্প কার্যালয়ে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ইউএনও এসে তদন্তের পুরো টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর অধীনে রায়পুর উপজেলায় মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের আওতায় বয়স্কদের সাক্ষরতা দানের জন্য উপজেলায় ৩শ' কেন্দ্রে একজন পুরুষ ও একজন নারী শিক্ষক হিসেবে ছয়শ' শিক্ষক ও ১৫ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়। মেয়াদকাল প্রশিক্ষণ শুরু থেকে ছয় মাস। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রাউস এ প্রকল্প কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পে ওই শিক্ষকরা প্রতি মাসে ২ হাজার ৪শ' টাকা বেতন ও সুপারভাইজার ২ হাজার ৫শ' টাকা বেতন পাবেন। পর্যায়ক্রমে ৬শ' জন শিক্ষকের ছয় মাসের কার্যক্রম শেষ হয়। সোমবার বিকেলে শিক্ষকদের বকেয়া ৪ মাসের বেতন দেওয়া শুরু হয়। এ সময় গ্রাউস কর্মকর্তা চার মাসের বেতন রেজিস্টারে স্বাক্ষর রেখে ২ মাসের বেতন প্রদান ও কিছু নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা অন্যদের স্বাক্ষর নিয়ে তুলে নেয় এবং ভুয়া কিছু নিয়োগ দেখিয়ে প্রকল্পের শিক্ষকদের বেতন আত্মসাৎ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চার কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষক।