বোয়ালখালীতে থেমে নেই সরকারি গাছ চুরি

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০১৯

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

বাঁশখালীর চাম্বল পাহাড়ি এলাকায় প্রচণ্ড বৃষ্টিতেও থেমে নেই গর্জন গাছ চুরি। সরকারি এসব গাছ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোরের দল। ব্যয়বহুল এসব গাছ চোরের কাছ থেকে সস্তা দামে পেয়ে কিনে নিচ্ছেন স'মিল মালিক ও কাঠ ব্যবসায়ীরা। সশস্ত্র চোরের দলকে ঠেকিয়ে রাখতে পারছেন না বন বিভাগের কর্মকর্তারা। অভিযোগ উঠেছে চোরদের সঙ্গে সখ্য রেখেই কিছু বন কর্মকর্তা এসব গাছ চুরিতে লিপ্ত রয়েছেন। ফলে নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে সরকারের বনজ এসব মূল্যবান গর্জন গাছ।

স্থানীয় চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী বনদস্যুদের দমনে মাঠে নামিয়েছেন নিজস্ব বাহিনী। তিনি নিজেই ১০ জুলাই শেখেরখীলের নিমতলার স'মিলে অভিযান চালিয়ে ৬টি মূল্যবান গর্জন গাছ উদ্ধার করেছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চাম্বল বনবিট কর্মকর্তা শেখ আনিছুজ্জামান। গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

চাম্বল ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী বলেন, 'সম্প্রতি গাছ চুরি বেড়ে যাওয়ায় আমি নিজস্ব লোক দিয়ে পাহারা বসিয়েছি। ৯ জুলাই রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে স্থানীয় মঞ্জুর আলম, মোহাম্মদ দিদার, সরওয়ার ও জয়নাল ৬টি গর্জন গাছ চুরি করে শেখেরখীলের এক স'মিলে বিক্রয় করেছে শুনেছি। ১০ জুলাই ওই নিমতলা স'মিলে গিয়ে গাছগুলোর সন্ধান পেয়ে বন কর্মকর্তাকে ডেকে গাছগুলো বুঝিয়ে দিয়েছি। ওই স'মিল মালিক জাকেরুল হক চোরের কাছ থেকে মাত্র ৩৭ হাজার টাকা দিয়ে গাছগুলো কিনেছিলেন।'

বনবিট কর্মকর্তা শেখ আনিছুজ্জামান বলেন, 'চাম্বলের বনদস্যুরা সশস্ত্র হওয়ায় এদের ঠেকানো যাচ্ছে না। বনদস্যু দিদারকে একমাস আগেও গাছ চুরির মামলায় পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। জামিনে এসে আবার গাছ চুরিতে নেমেছে। চুরি ঠেকাতে যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গাছ চোরদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।'