প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণচেষ্টা ২০ হাজার টাকায় ধামাচাপা

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০১৯      

বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার বামনা উপজেলার রামনা ইউনিয়নের ঘোপখালী গ্রামের এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের প্রতিবেশী মো. আবদুল্লাহর ছেলে মো. সোহাগ ওরফে কালুর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত ধর্ষকের পরিবারের কাছ থেকে ওই গ্রামের গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী সালিশের নামে বিশ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে কিশোরীকে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে অভিযুক্ত সোহাগ। পার্শ্ববর্তী ঘরের লোকজন মেয়েটির চেঁচামেচি শুনে তাকে উদ্ধার করতে গেলে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি পালিয়ে যায়।

এক প্রতিবেশী জানায়, ঘটনার পর সোহাগের বাবা মো. আবদুল্লাহ গাভী বিক্রি করে বিশ হাজার টাকা স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মো. নাসির চৌকিদার, প্রতিবেশী মো. আনসার ও দুলাল চৌধুরীকে দেয়। তারা ওই টাকায় ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। তবে ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবারকে কোনো টাকা-পয়সা না দিয়ে তারাই সব টাকা আত্মসাৎ করে।

গ্রাম পুলিশ মো. নাসির জানায়, প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার বিষয়টি তাৎক্ষণিক বামনা থানার এএসআই কাইয়ুমকে জানানো হয়েছে। তারা কারও কাছ থেকে কোনো টাকা- পয়সা গ্রহণ করেননি। এএসআই কাইয়ুম জানান, তাকে কেউ এ ব্যাপারে অবহিত করেননি।

ভুক্তভোগী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা জানান, ঘটনার দিন সে ও তার স্ত্রী সকালে ঘর থেকে বেড়িয়ে যায় ভিক্ষা করার উদ্দেশে। বিকেলে বাড়িতে এসে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে বিষয়টি শুনতে পায়। মেয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী, তাই তার ওপর ঘটে যাওয়া ঘটনাটি সঠিকভাবে বলতে পারছেন না।

বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।