ঈশ্বরগঞ্জে কিশোরী গণধর্ষণ

তিন মাসেও ধরা পড়েনি চার অভিযুক্ত

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০১৯      

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ঈশ্বরগঞ্জে কিশোরীকে গণধর্ষণের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও প্রধান অভিযুক্তসহ চারজনকে  গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযুক্তরা ধরা না পড়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন নারী নেত্রীরা। তবে পুলিশ বলছে, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

ঈশ্বরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে আশ্রয় দেওয়ার নামে কিশোরগঞ্জের এক কিশোরী মেয়েকে পাশের খাদ্য গুদামে গত ৬ এপ্রিল রাতভর নির্যাতন চালানো হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে ৭ এপ্রিল স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বসে বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ ওই দিন বাবুল মিয়া, মাহফুজুর রহমান রানা ও রাজু আহমেদ বাপ্পা নামে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। পরদিন তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। কিশোরী মেয়েটিকে ধর্ষণের ঘটনায় ৭ এপ্রিল রাতে বাদী হয়ে ঘটনার মূল হোতা সুজন মিয়া, বাবুল মিয়া, রোকন মিয়া, স্বপন, রনি মিয়া, মাহফুজুর রহমান  রানা ও রাজু আহমেদ বাপ্পা  নামের ৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

ওই মামলায় আদালতে তিন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়; কিন্তু কিশোরী মেয়েটিকে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যাওয়া সুজন মিয়া ও তার সহযোগী রোকন, স্বপন ও রনিকে পুলিশ গতকাল সোমবার বিকেল পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি। পুলিশ তৎপরতা দিয়ে চেষ্টা করলে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণের ঘটনার অভিযুক্তরা ধরাপড়ার কথা। দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের আসামিরা ধরা পড়লেও এ ঘটনার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।

গণধর্ষণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) মো. জয়নাল আবেদীন সরকার বলেন, অভিযুক্তরা কেউ এলাকায় নেই। ঘটনার পর থেকে নানা কৌশল অবলম্বন করে অভিযুক্তদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।