চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক

টানা বর্ষণে কার্পেটিং উঠে খানাখন্দ

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০১৯      

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

গত এক সপ্তাহের টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি মহাসড়কের হাটহাজারী অংশে অন্তত ২০টি স্টথানে কার্পেটিং উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিস্কাশনের ড্রেন না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে মহাসড়কের ওপর পানি জমে থাকে এবং লাগাতার যানবাহনের চাপে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের। ক্ষতিগ্রস্ত এসব অংশে ঝুঁকি নিয়ে হাজারো যান চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সংশ্নিষ্টরা। ছোটখাটো যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনাও ঘটছে। তবে সওজ কর্তৃপক্ষ কিছু খানাখন্দে ইটের খোয়া দিয়ে মেরামত করা হলেও গাড়ির চাকায় এসব খোয়া নষ্ট হয়ে পুনরায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, দুই পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের হাটহাজারী অংশের আমানবাজার, লালিয়ারহাট, চৌধুরীহাট, নন্দীরহাট সিএনজি স্টেশন, চবি ১ নম্বর গেট, হাটহাজারী বাস স্টেশন, হাটহাজারী বাজার ত্রিবেণী মোড় থেকে মেডিকেল গেট, মুন্সী মসজিদ এলাকার তিনটি বিপজ্জনক বাঁক, ধলই ইউনিয়নের কালিবাড়ি মন্দির গেট, বালুর টাল, শাহজাহান শাহ (রহ.) মাজার গেট, কাটিরহাট বাজার, হাটহাজারী কলেজ গেট ও ইছাপুর বাজার এলাকায় কার্পেটিং উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব অংশে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।

ট্রাকচালক জাফর বলেন, 'টানা বর্ষণে কার্পেটিং উঠে বেশ কিছু স্থানে গর্ত হয়ে সড়কের বেহাল দশা হয়েছে। মাঝেমধ্যে গাড়ির অ্যাক্সেল ভেঙে ও উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটলেও টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের।

হাটহাজারী মেডিকেল গেট এলাকার বাসিন্দা মঞ্জু বলেন, 'ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি সড়কে জমে থাকে। লাগাতার যানবাহন চলাচলে বেশ কয়েকটি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে যানবাহন উল্টে কয়েকজন যাত্রীও আহত হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ-চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আহমেদ সোমবার বলেন, 'টানা বৃষ্টিতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে তাৎক্ষণিক ইট দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কার্পেটিংও করা হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত করা হবে।'