ডিজিটাল ভূমি জরিপে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

আনোয়ারা

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০১৯

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

আনোয়ারায় ভূমি জরিপে হয়রানি, ভুল রেকর্ড, ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে গত রোববার ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

সম্প্রতি আনোয়ারা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ডিজিটাল ভূমি জরিপ চলছে। ২৫ জন সার্ভেয়ার এতে কাজ করছেন। বটতলী ইউনিয়নের পূর্ব তুলাতলী গ্রামে ডিজিটাল জরিপকালে অনিয়ম, হয়রানি, ভুল রেকর্ড, দুর্নীতি ও উৎকোচ দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এলাকার লোকজন বিষয়টি সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তাদের জানালেও কোনো সুরাহা পাননি। সবশেষে তারা ইউএনও শেখ জোবায়ের আহমদ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়, সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা, সার্ভেয়াররা রুলস অনুযায়ী জরিপ কাজ পরিচালনা না করে প্রকৃত মালিকদের নোটিশ না পাঠিয়ে ঘুষ দাবি করে আসছেন। মোটা অঙ্কের উৎকোচের লোভে দখলহীন ও রেকর্ডবিহীন ব্যক্তিদের নামে ডিজিটাল জরিপ প্রস্তুত করছেন। ফলে প্রকৃত ভূমির মালিকরা রেকর্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রকৃত জমির মালিকরা বৈধ কাগজপত্র দেখানোর পরও সেটেলমেন্ট কর্মকর্তারা মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি করেন। এ ছাড়া সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা সুজন, সার্ভেয়ার ইকবাল, ইয়াছিন, রহিম, বেলাল উদ্দিন ও কাইয়ুম স্থানীয় শ্রীধাম রায় দত্ত, ইন্দ্রজিৎ দত্ত, অলক দেবসহ কয়েকজনের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বেলাল উদ্দিন বলেন, 'জরিপ কাজে টাকা নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। জরিপের ২ মাস পরে কেন কথা উঠছে তা আমার বোধগম্য নয়।'

আনোয়ারা উপজেলা অফিসের সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। জরিপ কাজে ভুল হলে ৩০ ধারা মোতাবেক মামলা করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জোবায়ের আহমদ জানিয়েছেন, আগামী ২৯ জুলাই এ বিষয়ের ওপর শুনানি করা হবে। শুনানিতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।