বাউফল ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে চাঙ্গা নেতাকর্মীরা

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০১৯

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

দীর্ঘ এক যুগ পর বাউফল উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণ ফিরেছে। পদ পাওয়ার আশায় চলছে জোর লবিং-গ্রুপিং। স্থানীয় সাংসদ ও সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ সমর্থিত ছাত্রলীগের একটি অংশ এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল সমর্থিত একটি অংশ নেতাকর্মীদের নিজেদের বলয়ে আনতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। আগামী ১৯ জুলাই বাউফল উপজেলা ছাত্রলীগের এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ২০০৩ সালের ৪ জুলাই দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের পর ছাত্রলীগের আর কোনো কমিটি হয়নি বলে ছাত্রলীগের একটি সূত্র জানায়।

২০১২ সালের ২৯ জুলাই বাউফল উপজেলা ছাত্রলীগের একটি কমিটি ঘোষণা করে তৎকালীন কেন্দ্রীয় কমিটি। এ কমিটিতে সাইদুর রহমান হাসান সভাপতি এবং মাহমুদ রাহাত জামসেদকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি অনুমোদন দেয় পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা ও সোহানুর রহমান সুজন। অন্যদিকে স্থানীয় সাংসদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ স ম ফিরোজ সমর্থিত মাহমুদ হাসান রুবেলকে সভাপতি এবং মসিউর রহমান মীরকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে স্থানীয় রাজনীতিতে বিভক্তি দেখা দেয় এবং উপজেলা ছাত্রলীগ দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়ে। উভয় গ্রুপের পেশিশক্তির মহড়া জোগাতে ভিড় জমায় অছাত্র ও বিবাহিতরা।

এ বিষয়ে স্থানীয় সাংসদ সমর্থিত ছাত্রলীগের একাংশের নেতা মাহমুদ হাসান রুবেল বলেন, ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সম্মেলন হবে। এ সম্মেলনে অছাত্র এবং বিবাহিতদের কোনো স্থান হবে না। পৌর মেয়র সমর্থিত ছাত্রলীগের একাংশের সভাপতি সাইদুর রহমান হাসান বলেন, যেহেতু দল করি, তাই দলের গঠনতন্ত্রের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না। পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান সিকদার বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী আগামী ২৯ জুলাই এ সম্মেলনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছেন। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র মেনেই সম্মেলন হবে।