কেন্দুয়ায় ১২ নারীসহ ৩২ আসামি কারাগারে

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০১৯

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে সংগ্রহ করে প্রচার ও জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তরপত্র পরীক্ষার্থীর কাছে সরবরাহ করার অভিযোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন প্রধান শিক্ষকসহ ১১ শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বুধবার সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপপরিচালক ও নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্তের নির্দেশ দেন।

এদিকে, মামলায় ১২ নারীসহ ৩২ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. উবায়দুল্লাহ জানান, বরখাস্তকৃত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে রয়েছে বলাইশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান ছোটন, তার স্ত্রী নওপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাওয়া বেগম, পোড়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাকি, কেন্দুয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাহমিনা আক্তার, পানগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তুহিন আক্তার, বলাইশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মরিয়ম আক্তার, নওপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক লিপা মুনালিসা, দিগদাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুজিবুর রহমান, মদন উপজেলার খাগরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লাকি আক্তার, জঙ্গলটেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জেবুন্নাহার ডলি ও আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক স্মৃতি খানম।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, দু'দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের সময় মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মান্নান ছোটন, নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম, শহিদুজ্জামান মিন্টু, ব্যবসায়ী আবুল বাশার, বিকাশ দে, জুয়েল মিয়া, বিলাশ সরকার ও দিগদাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মজিবুর রহমান প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। পরে বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।