ইন্দুরকানীতে পশুর হাটে চাঁদাবাজি নিয়ে উত্তেজনা

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০১৯      

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

ইন্দুরকানীতে পশুর হাটে চাঁদা আদায় নিয়ে জাতীয় পার্টি-জেপির দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শুক্রবার ইন্দুরকানী পশুর হাটে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, পিরোজপুর-২ আসনটি ইন্দুরকানী, ভাণ্ডারিয়া ও কাউখালী উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এলাকাবাসীর জন্য ইন্দুরকানী উপজেলার সব হাটবাজারের ইজারা নিজে দিয়ে দেওয়ায় খাজনা মওকুফ করে দিয়েছেন। কিন্তু কোরবানি এলেই তার দল জাতীয় পার্টি-জেপি ও অঙ্গসংগঠনের লোকজন কোরবানির পশুর বিক্রি রসিদের নামে গরুপ্রতি দুইশ' থেকে হাজার টাকা করে আদায় করছে। শুক্রবার ইন্দুরকানী পশুর হাটে উপজেলা জেপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার আহম্মেদ দুলালের নেতৃত্বে যুবসংহতি ছাত্রসমাজের নেতাকর্মীরা ইন্দুরকানী বাজার উন্নয়নের সাহায্যার্থে লেখা রসিদ দিয়ে গরুপ্রতি দুইশ' থেকে এক হাজার টাকা চাঁদা আদায় করছে। কিন্তু উপজেলা যুবসংহতির নেতা খায়রুলসহ কতিপয় নেতাকর্মীকে উপেক্ষা করে চাঁদা আদায় করায় তাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ইন্দুরকানী থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ এসে উভয়কে শান্ত করে মিলেমিশে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কেনাবেচার পরিবেশ রক্ষা করতে বলে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা জেপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার আহম্মেদ দুলাল জানান, উপজেলা যুবসংহতি নেতা খায়রুলের সঙ্গে ছাত্রসমাজের এক নেতার কথাকাটাকাটিতে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরে উভয়কে শান্ত করা হয়।

ইন্দুরকানী থানার ওসি হাবীবুর রহমান জানান, জেপির নিজেদের দলের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও কথাকাটাকাটিতে এ ঘটনা ঘটে।